সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎জামালগঞ্জে টানা বৃষ্টিতে হাওরে জলাবদ্ধতা, ব্যাপক ফসলহানি হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

জগন্নাথপুরে দুশ্চিন্তায় কৃষক, মেশিন ও শ্রমিক সংকটে ধানকাটা ব্যাহত

  • আপলোড সময় : ২৫-০৪-২০২৫ ০৭:৪৯:১০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-০৪-২০২৫ ০৭:৪৯:১০ অপরাহ্ন
জগন্নাথপুরে দুশ্চিন্তায় কৃষক, মেশিন ও শ্রমিক সংকটে ধানকাটা ব্যাহত
মো. শাহজাহান মিয়া :: জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলি ইউনিয়নের ছোট হাওরগুলোতে হারভেস্টার মেশিন ও শ্রমিক সংকটে ধানকাটা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে জমির পাকা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা। এর মধ্যে প্রতিদিনই কমবেশি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা তাড়া করে বেড়াচ্ছে স্থানীয় কৃষক ও জমির মালিকদের। গত ২৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে পাটলি গ্রামের পাশের হাওরে গিয়ে দেখা যায়, মেশিন ও শ্রমিক সংকটের কারণে কোনো জমিতে একজন আবার কোনো জমিতে দুইজন জমির মালিক নিজেই ধান কাটছেন। হাওরজুড়ে জমিতে পাকা ধান দুলছে। কোনো কোনো জমিতে ধান পাকতে পাকতে রীতিমতো ঝরে পড়ার অবস্থা হয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে কয়েকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের এলাকা ধনী হয়ে গেছে। অনেক বেকার মানুষ অযথা ঘোরাঘুরি করলেও ধান কাটতে চায় না। যে কারণে স্থানীয় ধানকাটা শ্রমিক মিলছে না। বহিরাগত শ্রমিকও আসেনি। ধানকাটা মেশিনও পাচ্ছি না। জমিতে পাকা ধান রেখে রাতে ঘুম হয় না। তাই একাই নিজের ধান কাটতে নেমেছি। একা কিছুই করার নেই। তাই যতো দ্রুত সম্ভব ধানকাটা মেশিন চাই। এ বিষয়ে পাটলি ইউপি চেয়ারম্যান আংগুর মিয়া বলেন, গত ৪/৫ দিন আগে থেকেই আমার ইউনিয়ন এলাকার জামাইকাটা, বিলচর, ঘাটিয়ার, এলেছি, আদাকান্দি, খলিয়ার, দলুয়া, ঘাঢ়ার হাওরসহ কমবেশি সকল হাওরের বোরো ধান পেকে গেছে। প্রতিদিন কৃষকরা আমাকে জানান, হারভেস্টার মেশিন ও শ্রমিক সংকটের কারণে তারা ধান কাটতে পারছেন না। ফলে জমির পাকা ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন কৃষকেরা। এর মধ্যে এক হাওরে একটি ছোট মেশিন নেমেছে। সেটি একবার ধান কাটলে ৩ বার বিকল হয়। এছাড়া মাঝে মাঝে ১/২ জন জমির মালিক নিজে ধান কাটছেন। এতে প্রায় মাত্র দুই ভাগ ধান কাটা হয়েছে। বাকি সকল হাওরের পুরো জমির পাকা ধান, হাওরেই মজে যাচ্ছে। কৃষকদের এমন অবস্থা দেখে আমি উপজেলা প্রশাসনে গিয়ে হারভেস্টার মেশিন প্রদানের জন্য বলেছি। আশা করছি, তারা দ্রুত মেশিন পাঠিয়ে ধানকাটার ব্যবস্থা করে দিবেন। জানতে চাইলে জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওছার আহমেদ বলেন, জগন্নাথপুর উপজেলার সবচেয়ে বড় হচ্ছে নলুয়ার হাওর। তাই আমরা নলুয়ার হাওরকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ধানকাটার ব্যবস্থা করেছি। পাটলি ইউনিয়নের হাওরগুলো তুলনামূলক ছোট ও উঁচু জমি। তবুও ঘাটিয়ার হাওরে একটি মেশিন ধান কাটছে। আশা করছি, আগামী শনিবারের মধ্যে আরেকটি মেশিন নামবে। এতে চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ